একজন সচেতন ব্লগার হিসেবে আপনি অবশ্যই চাইবেন আপনার ব্লগ বা সাইটের এলেক্সা র্যাঙ্ক কিভাবে খুব দ্রুত কমানো যায়। কারণ অনেকদিন থেকেই গুগল পেজ-র্যাঙ্ক আপডেট হচ্ছে না, তাই আমরা এখন একটি সাইট বা ব্লগ এর জনপ্রিয়তা বিবেচনা করার জন্য এলেক্সা র্যাঙ্ক, ডোমেইন অথরিটি, পেজ অথরিটি, মোজ র্যাঙ্ক ইত্যাদি-কে খুবই গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আপনি হয়তো অনেকভাবে চেষ্টা করছেন আপনার ব্লগ এর এলেক্সা র্যাঙ্ক কমানোর জন্য কিন্তু পারেন নাই, কারন আপনি হয়তো সঠিক-ভাবে চেষ্টা করে নাই। মাত্র ৩ মাসের মধ্যে আমার একটি ব্লগ (..............com) এর এলেক্সা র্যাঙ্ক ১ লক্ষ এবং মাত্র ৬ মাসের মধ্যে ৩০ হাজারের মধ্যে নিয়ে আসতে পেরেছি।
যাই-হোক, এলেক্সা র্যাঙ্ক কমানোর জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে আপনাদের সাথে ১০ টি টিপস শেয়ার করবো। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।
১. এলেক্সা ভেরিফাই করা
আপনার সাইট লাইভ এ উঠানোর পরে প্রথম কাজ হলো এলেক্সা তে ভেরিফাই করা। এইটা নির্ধারণ করে যে আপনিই এই সাইটের মালিক। এলেক্সা ভেরিফাই করা খুবই সহজ কাজ। প্রথমে এলেক্সা সাইট এ গিয়ে রেজিষ্টার করুন। তারপর আপনার সাইট ক্লেইম করুন। এলেক্সা থেকে একটি ভেরিফিকেশন ফাইল আপনার সার্ভার এ তুলে অথবা হোমপেইজ এ একটি ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে ভেরিফাই করতে পারবেন। এই লিঙ্ক ব্যবহার করে আপনার সাইট এলেক্সা ভেরিফাই করুন।
২. এলেক্সা টুলবার ব্যবহার করুন
এলেক্সা র্যঙ্ক দ্রুত কমানোর জন্য এলেক্সা টুল ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ন। আপনি যেই ব্রাউজার ব্যবহার করেন (মোজিলা বা ক্রোম) সেখানে এলেক্সা টুল টির একটা এড-অন ইনস্টল করে নিন। এই টুল এর সাহায্যে আপনি এলেক্সা র্যাঙ্ক চেক করা, সার্চ করা ইত্যাদি করতে পারবেন।
৩. আপনার সাইটে এলেক্সা উইডজেট ব্যবহার করুন
এলেক্সা ঐ সাইট বা ব্লগ কে পছন্দ করে যারা তাদের সাইট বা ব্লগ এ এলেক্সা উইডজেট ব্যবহার করে। আপনি আপনার সাইট এর সাইড-বার বা ফুটারে একটি এলেক্সা উইডজেট ব্যবহার করতে পারেন যেখানে আপনার সাইট এর এলেক্সা র্যাঙ্ক, ব্যাকলিঙ্ক সহ আরো কিছু ডাটা দেখাবে।
৪. আপনার ব্লগ/সাইট সবসময় হালনাগাদ রাখুন
ব্লগ বা সাইট হালনাগাদ রাখা একটি ব্লগ বা সাইট এর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন। সব-সময় আপনার ব্লগ হালনাগাদ থাকলে আপনে খুব সহজেই সার্চ ইঞ্জিন থেকে অনেক ভিসিটির পাবেন, পাশাপাশি এটি আপনার ব্লগ এর এলেক্সা র্যাঙ্ক কমাতেও সাহায্যে করবে।
৫. ব্লগে ইউনিক পোষ্ট প্রকাশ করুন
ব্লগে সব সময় ইউনিক (কপিরাইট ফ্রি) পোষ্ট পাবলিশ করুন। কখনোই ব্লগে কপিরাইটেড কনেন্ট পাবলিশ করবেন না। এইটা আপনার ব্লগের কীওয়ার্ড র্যাঙ্কিং এ খারাপ প্রভাব ফেলবে, সাথে সাথে এলেক্সা র্যাঙ্ক এ ও খারাপ প্রভাব ফেলবে।
৬. সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানোর চেষ্টা করুন
ব্লগের এস.ই.ও. এর কাজ করে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানোর চেষ্টা করুন। সার্চ ইঞ্জিন থেকে যত বেশি ভিজিটর আসবে, আপনার ব্লগের এলেক্সা র্যাঙ্ক তত-তাড়াতাড়ি কমবে।
৭. এলেক্সা সম্পর্কে আপনার ব্লগে রিভিউ লিখুন
অনেকে এইটা কে গুরুত্ব দেয়া না। এলেক্সা র্যাঙ্ক কমানোর জন্য এইটা খুবই গুরুত্ব বহন করে যা আমি নিজ অবিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি। আপনার ব্লগ যদি মানি মেকিং, ব্লগিং বা এস.ই.ও. ইত্যাদির উপরে হয় তাহলে আপনি আপনার সাইট এ এলেক্সা সম্পর্কে একটি রিভিউ লিখেন এবং এলেক্সা কে ২/১ টা ব্যাকলিঙ্ক দিন, দেখবেন আপনার ব্লগ এর এলেক্সা র্যাঙ্ক খুব দ্রুত কমে যাচ্ছে।
৮. সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন
এলেক্সা র্যাঙ্ক কমানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অনেক ভালো কাজ করে। আপনার সাইট এর প্রতিটা পোষ্ট এর লিঙ্ক বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইট এ প্রতিনিয়ত শেয়ার করবেন। এতে করে আপনে অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন সাথে সাথে আপনার ব্লগ এর এলেক্সা র্যাঙ্ক ইম্প্রুভ হবে।
৯. ব্লগ কমেন্টিং খুবই কাজের
যেইসব ব্লগ এর এলেক্সা র্যাঙ্ক, ডোমেইন অথরিটি, পেজ র্যাঙ্ক অনেক ভালো এবং আপনার ব্লগ রিলেটেড, সেই সব ব্লগ এ নিয়মিত কমেন্ট করুন। বিশেষ করে যখন আপনার ব্লগ এ নতুন পোষ্ট পাবলিশ করবেন তারপরে কমেন্ট করুন। তাতে করে আপনি অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন আর ব্লগ এর এলেক্সা র্যাঙ্ক ও খুব তাড়াতাড়ি ভালো হবে।
১০. গেষ্ট পোষ্টিং
আপনি যদি ব্লগিং এ নতুন হয়ে থাকেন তাহলে গেষ্ট পোষ্টিং আপনার জন্য কিছুটা কঠিন হবে। তবে এটি সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর পাওয়া, রেফারেল ভিজিটর পাওয়া এবং সাথে সাথে এলেক্সা র্যাঙ্ক কমানোর জন্য অনেক উপকারি।
আপনার যদি লেখাটি ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
আর হ্যাঁ, এটি বাংলায় লেখা আমার প্রথম ব্লগ পোষ্ট, তাই কোন ভূল-ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমা করে দিবেন।
কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করতে পারেন, সাথে সাথে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।









![SEO টিউটোরিয়াল পর্ব [৭]:: [ ব্যাকলিংক কি কেন এবং পাওয়ার উপায়। (অফ পেজ অপটিমাইজেশন)] SEO টিউটোরিয়াল পর্ব [৭]:: [ ব্যাকলিংক কি কেন এবং পাওয়ার উপায়। (অফ পেজ অপটিমাইজেশন)]](http://www.seoservicesforyou.com/wp-content/uploads/2013/05/what-is-a-backlink1-390x224.jpg)
) থাকুক। কেননা লোকবল যত বেশি হবে তার ক্ষমতার প্রভাবও ততো বেশি হবে। ফলে সে সব জায়গায় সে তার প্রভাব আরো বেশি করে খাটাতে পারবে। কিংবা যখন সে কোন কাজ করতে যাবে তখন যদি তার পক্ষেই সবাই ভোট বা সম্মতি দেয় তাহলে তার কাজ ও গ্রহনযোগ্যতাও অনেকাংশে বাড়বে। অতএবে সে বনে যাবে একজন পাওয়ার ফুল ম্যান হিসাবে। সার্চ ইন্জিন এর কাছে ব্যাকলিংক ও তেমনি। একটি সাইটের গুরুত্ব ও গ্রহনযোগ্যতা বাড়াতে ব্যাকলিংক বাড়ানোর কোন বিকল্পই হয় না। এক একটি ব্যাকলিংক আপনার জন্য ভোট স্বরূপ। এর জন্য সার্চ ইন্জিন সবসময় খুজে বেড়ায় কোন সাইটের ব্যাকলিংক বেশি। কেননা আপনি ও হয়তো কখনো চাইবেন না একজন অযোগ্য প্রার্থীকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বসাতে। এর জন্য সার্চ ইন্জিন ও তাদের প্রথম পেজটির জন্য বেশি গুরুত্ব দেয় ব্যাকলিংককে। আর গুগল এই গুরুত্বকে সবার সামনে প্রকাশ করার জন্যই ব্যাবস্থা রেখেছে PageRank এর। পেজরেংক এর মাধ্যেম গুগল প্রকাশ করে যে ওয়েবসাইটটির গুরুত্ব বা রেংক কতটুকু। অতএবে এ থেকে প্রমাণিত হয় যে আপনার পেজ রেংক বাড়ানোর জন্যও সবচেয়ে দরকার ব্যাকলিংক বাড়ানো। আবার মনে করুন একজন মানুষের পিছনে ১০০ লোক আছে। এর মধ্যে ৬০ জনই হল অন্ধ,বোবা, খোড়া ইত্যাদি। তাহলে কি হলো? তার কি ১০০ জন মানুষের কাজ ঐ লোক গুলো দিয়ে করা সম্ভব? কখনোই না। কারণ ১০০ জন লোক থাকলে ও তাদের জোর ও ক্ষমতা ২০ পরিপূর্ণ মানুষের সমান। তাছাড়া কোন কম্পানীও কিন্তু এমন অযোগ্য প্রার্থীকে কোন বড় পদে নিয়োগ দেয় না। সার্চ ইন্জিনও তার ব্যাতিক্রম নয়। আপনার হয়তো ১০০ টি ব্যাকলিংক আছে। কিন্তু আপনি যে পেজ থেকে আপনি ব্যাকলিংক পেয়েছেন সেগুলো যদি সার্চ ইন্জিনের কাছে কোন গুরুত্ব নাই থাকে তাহলে সেই ১০০টি ব্যাকলিং দিয়ে কোন লাভ নেই। সেগুলো হবে ভালো ভালো ২০টি ব্যাক লিংকের সমান। এমন আছে যে আপনার ১ টি PR 5-9 ব্যাকলিংকই পেজরেংক শূন্য ১০০টি ব্যাকলিংক এর সমান। তাই যেন তেন বা মূল্যহীন ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না। সময় দিন এমন ব্যাকলিংক পেতে যেখান থেকে আপনি নিশ্চিত সুফল পাবেন। যদিও একটু বেশি সময় বা কষ্ট হয় তার পর ও আপনি চেষ্টা করে যাবেন। আশা করি আপনারা সহজেই বুঝতে পারলেন যে ব্যাকলিংক কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই সবসময় চেষ্টা করুন অন পেজ অপটিমাইজেশনের সাথে সাথে ব্যাকলিংক ও বাড়াতে। প্রতেহ্য রুটিনের সাথে ২০-৩০ মিনিট বা তার ও বেশি সময় দিন শুধুমাত্র ব্যাকলিংক বাড়ানোর জন্য। সময় ভাগ করে কাজ করুন অনপেজ অপটমাজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন নিয়ে। সাফল্য আপনার হাতে আসবেই আসবে।![SEO টিউটোরিয়াল [পর্ব-৬]:: [অন- পেজ অপটিমাইজেশন কি,কেন কিভাবে (২য় অংশ)] SEO টিউটোরিয়াল [পর্ব-৬]:: [অন- পেজ অপটিমাইজেশন কি,কেন কিভাবে (২য় অংশ)]](http://effectiveseocampaign.com/wp-content/uploads/2016/03/Screen-Shot-2016-03-29-at-10.40.42-PM.png)
